Marktaandeel Analyse Portal Voor Dhaka Stock Exchange-Bangladesh

Marktaandeel Analyse Portal Voor Dhaka Stock Exchange-Bangladesh

স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই কমতে থাকে. বেলা বাড়ার সাথে সাথে ডিএসইএক্স ইনডেক্সে মান এবং লেনদেন উভয়ই কমতে থাকে. দিনের শেষে এসে কিছুটা বাই পেশারে ডিএসইএক্স ইনডেক্সে স্পিনিং টপ ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি হয়. টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের অনান্য ইনডিকেটর থেকে দেখা যায়, ইনডেস্ক এখন আপ বুলিঙ্গার ব্যান্ডে আপ বুলিঙ্গার ব্যান্ডে অবস্থান করছে. আজ ডিএসইএক্স ইনডেক্স 10.15 পয়েন্ট কমে 4.585,08 পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় 0.২২% কমেছে. বৃহস্পতিবার ডিএসইতে 511 কোটি 90 লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে. গতকাল ডিএসইতে 503 কোটি 94 লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল. ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় 3২6 টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার. এর মধ্যে দর বেড়েছে 118 টির, কমেছে 159 টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে 49 টির শেয়ার দর. এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক 10 পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে 4 হাজার 585 পয়েন্টে. ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক 1 পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার 1২1 পয়েন্টে. আর ডিএস 30 সূচক 5 পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার 765 পয়েন্টে. অন্যদিকে সেক্টরের দিক থেকে দেখা যায়, এই সপ্তাহে সচেয়ে বেশী লেন্দেন হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে. অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে. আজ সিএসইতে ২7 কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে. সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২3 পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে 14 হাজার 103 পয়েন্টে. সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২53 টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার. এর মধ্যে দর বেড়েছে 104 টির, কমেছে 108 টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে 41 টির.

স্টাফ রিপোর্টার. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার টপটেন গেইনারের শীর্ষে উঠে এসছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড. এই কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে 4 টাকা 60 পয়সা বা 9 দশমিক 94 শতাংশ. ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার বৃহস্পতিবার সর্বশেষ 50 টাকা 90 পয়সা দরে ​​লেনদেন হয়. কোম্পানিটি ডিএসইতে 46 টাকা 50 পয়সা দরে ​​লেনদেন শুরু করে. এদিন কোম্পানিটি ২ হাজার 176 বারে 18 লাখ 98 হাজার 573 টি শেয়ার লেনদেন করে. তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল টিউবসের 10 টাকা 10 পয়সা বা 8 দশমিক 4২ শতাংশ দর বেড়েছে. শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় 130 টাকা দরে. এদিন কোম্পানিটি 3 হাজার 6২4 বারে 15 লাখ 5 হাজার 771 টি শেয়ার লেনদেন করে. তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা কাশেম ড্রাইসেলসের 7 টাকা 10 পয়সা বা 8 দশমিক ২7 শতাংশ দর বেড়েছে. এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় 93 টাকা দরে. গেইনার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এমারেল্ড অয়েল, স্টাইল ক্রাফট, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, ইনটেক অনলাইন, ঢাকা ডাইং, আইটি কনসাল্টেন্টস লিমিটেড ও জিকিউ বলপেন.

স্টাফ রিপোর্টার. ব্যাংক বর্হিভূত আর্থিক খাতের কোম্পানি বিডি ফিন্যান্সের দুই উদ্যোক্তা শেয়ার বেচার ঘোষণা দিয়েছেন. এই উদ্যেক্তারা হলেন- মো. তারেক আকবর আলী ও সেলিনা তারেক. ডিএসই সূত্রে জানা গেছে. সূত্র জানায়, তারেক আকবর আলী 3 লাখ 76 হাজার ২95 টি ও সেলিনা তারেক 46 হাজার ২80 টি শেয়ার বেচবেন. তারা আগামী 30 কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার বেচতে পারবেন.

স্টাফ রিপোর্টার. মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে 7 কোটি ২6 লাখ টাকার. আগের বছর একই সময় কোম্পানির প্রিমিয়াম আয় ছিল 7 কোটি 9২ লাখ টাকার. ডিএসই সূত্রে জানা গেছে. কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি, 16-মার্চ’16) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এ তথ্য বেরিয়ে আসে. সূত্র জানায়, আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে 1 হাজার 384 কোটি 56 লাখ টাকা. আগের বছর তহবিলের পরিমাণ ছিল 1 হাজার 348 কোটি 59 লাখ টাকা.

স্টাফ রিপোর্টার. রেকর্ড ডেটের আগে আগামী রোববার (২1 আগস্ট) থেকে চারটি কোম্পানির শেয়ার স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে. লেনদেন চলবে সোমবার (২২ আগস্ট) পর্যন্ত. কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, স্কয়ার টেক্সটাইল ও রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড. ডিএসই সূত্রে জানা গেছে. সূত্র জানায়, কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে মঙ্গলবার (২3 আগস্ট). ওইদিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে. এর অংশ হিসেবেই দুই দিন স্পট মার্কটে কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হবে.

স্টাফ রিপোর্টার. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার লেনদেনের আড়াই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রেতা উধাও হয়ে যাচ্ছে ন্যাশনাল টিউবসের শেয়ারে. এতে কোম্পানির শেয়ারটি আরেকটু পরেই হল্টেড হয়ে মূল্য স্পর্শ করবে সার্কিট ব্রেকারে. ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বেলা 1২ টা 53 মিনিট পর্যন্ত কোম্পানিটির স্ক্রিনে সর্বশেষ 4 হাজার 840 টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেখাচ্ছিল. কিন্তু বিক্রেতার ঘরে মাত্র একটি বিক্রয় প্রস্তাব ছিল. ন্যাশনাল টিউবসের সর্বশেষ লেনদেনটি হয় 131 টাকা 80 পয়সা দরে. বুধবার (17 আগস্ট) এই শেয়ারের সমাপনী দর ছিল 119 টাকা 90 পয়সা.

স্টাফ রিপোর্টার. বিডি উইল্ডিং ও স্টাইল ক্রাফট লিমিটেডের শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই. কোম্পানি দুইটির শেয়ারে অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই). ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই বুধবার (17 আগস্ট) নোটিস পাঠায়. এর জবাবে কোম্পানি দুইটি জানায়, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে. বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত 10 আগস্ট থেকে 17 আগস্ট পর্যন্ত বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার দর টানা বেড়ে চলেছে. আলোচিত সময়ে শেয়ারটির দর 9 টাকা 70 পয়সা থেকে বেড়ে সর্বশেষ 11 টাকা 90 পয়সা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে. অন্যদিকে স্টাইল ক্রাফটের শেয়ার দর গত 11 আগস্ট থেকে 17 আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে. আলোচিত সময়ে শেয়ারটির দর এক হাজার 117 টাকা 80 পয়সা থেকে বেড়ে সর্বশেষ এক হাজার 339 টাকা 3 পয়সা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে. আর শেয়ারগুলোর এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ.

স্টাফ রিপোর্টার. 30 জুন সমাপ্ত ২016 হিসাব বছরের 40 শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে এপেক্স ট্যানারি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ. এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা 4 দশমিক 48 শতাংশ কমেছে. স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে. সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২016 হিসাব বছরে চামড়া খাতের তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে 5 টাকা 97 পয়সা; আগের বছর যা ছিল 6 টাকা ২5 পয়সা. 30 জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় 74 টাকা 7২ পয়সা. ২015 হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের 45 শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় এপেক্স ট্যানারি. লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনে আগামী ২ অক্টোবর সকাল 10 টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে কোম্পানিটি. এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী 8 সেপ্টেম্বর. করপোরেট ঘোষণার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার এপেক্স ট্যানারি শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির কোনো সীমা নির্ধারণ করা ছিল না. দিন শেষে শেয়ারটির দর ২ দশমিক 41 শতাংশ কমে দাঁড়ায় 150 টাকা. গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল 173 টাকা ও সর্বনিম্ন 95 টাকা. 1985 সালে তালিকাভুক্ত এপেক্স ট্যানারির অনুমোদিত মূলধন 50 কোটি ও পরিশোধিত মূলধন 15 কোটি ২0 লাখ টাকা. রিজার্ভের পরিমাণ 54 কোটি ২0 লাখ টাকা. এ কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা 1 কোটি 5২ লাখ 40 হাজার. এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক 5২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি 48 শতাংশ শেয়ার. সর্বশেষ অনুমোদিত নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ২4; হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ২5 দশমিক 13.

সিনিয়র রিপোর্টার. সাবসিডিয়ারি বেঙ্গল পেট্রোকেম অ্যান্ড সিনথেটিক টেক্সটাইলস লিমিটেডকে একীভূত করবে বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেড. বুধবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে. শিগগিরই একীভূতকরণ স্কিমের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে. বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় 99 শতাংশ শেয়ারের মালিকানায় থাকা তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি বাকি শেয়ার অধিগ্রহণ করে একীভূতকরণ স্কিম বাস্তবায়ন করতে চায়. এজন্য বেঙ্গল উইন্ডসরের কোনো নতুন শেয়ার ইস্যু করা হবে না. কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে. কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, বেঙ্গল উইন্ডসর ও এর পরিচালকদের মালিকানায় থাকা বেঙ্গল পেট্রোকেম অ্যান্ড সিনথেটিক টেক্সটাইলস মূল প্রতিষ্ঠানের মতোই প্লাস্টিক পণ্য উত্পাদন করে. কোম্পানি দুটির পরিচালনা পর্ষদও পরিচালিত হচ্ছে একই ব্যক্তিদের দ্বারা. দুটি প্রতিষ্ঠানের কারখানাও ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ডিইপিজেড) অবস্থিত. একই পরিচালনা পর্ষদের অধীন ব্যবসা পরিচালনার জন্যই একীভূতকরণ স্কিম হাতে নেয়া হয়েছে. বিপণন, প্রচার ও প্রশাসনিক ব্যয়ের পাশাপাশি অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ও কমবে বলে আশা করছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা. তবে এজন্য আদালত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে. যোগাযোগ করা হলে বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকসের কোম্পানি সেক্রেটারি দারুল আওয়াম তুহিন বণিক বার্তাকে বলেন, বর্তমানে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানটির প্রায় 99 শতাংশ শেয়ারের মালিক বেঙ্গল উইন্ডসর. বাকি শেয়ার বেঙ্গল উইন্ডসর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হাতে. বাইরে থাকা শেয়ার অধিগ্রহণ করে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটিকে বেঙ্গল উইন্ডসরের সঙ্গে একীভূত করা হবে. পরিচালনা পর্ষদের সভায় বুধবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে. শিগগিরই একীভূতকরণ স্কিমের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে. আদালতের অনুমোদনের পর শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করে তাদের অনুমোদন নেয়া হবে. কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ, পলিব্যাগ, সিজার, গাম টেপ, পিভিসি পেড, প্লাস্টিক টেবিল ওয়্যার, প্লাস্টিক ফুড কনটেইনারসহ বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের পণ্য উত্পাদন করে বেঙ্গল পেট্রোকেম অ্যান্ড সিনথেটিক টেক্সটাইলস. ২015 সালে কোম্পানিটির মোট টার্নওভার ছিল 8 কোটি 75 লাখ 70 হাজার টাকা. এ সময় কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ২ কোটি 37 লাখ 79 হাজার টাকা. বছর শেষে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ২6 টাকা 4২ পয়সা. জমি, কারখানার স্থাপনা, যন্ত্রাংশসহ বেঙ্গল পেট্রোকেম অ্যান্ড সিনথেটিক টেক্সটাইলসের স্থায়ী সম্পদের পরিমাণ 19 কোটি ২6 লাখ 6 হাজার টাকা. সম্পদের বিপরীতে 7 কোটি ২7 লাখ টাকার স্বল্পমেয়াদি ও 3 কোটি 81 লাখ টাকার দীর্ঘমেয়াদি ঋণ রয়েছে. পেট্রোকেম অ্যান্ড সিনথেটিক টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন 10 কোটি ও পরিশোধিত মূলধন 9 কোটি টাকা. বেঙ্গল উইন্ডসরের সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাবসিডিয়ারিটির 80 শতাংশ শেয়ারের মালিক বেঙ্গল উইন্ডসর. কোম্পানি জানিয়েছে, সম্প্রতি তা 99 শতাংশে উন্নীত হয়েছে. এদিকে সাবসিডিয়ারিসহ ২015 সালে বেঙ্গল উইন্ডসরের মোট টার্নওভার ছিল 94 কোটি ২0 লাখ টাকা. কর-পরবর্তী মুনাফা 19 কোটি 91 লাখ 66 হাজার টাকা ও ইপিএস হয় ২ টাকা 57 পয়সা. আলোচ্য হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের 10 শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় বেঙ্গল উইন্ডসর. এ কোম্পানিটি মূলত গার্মেন্টস হ্যাঙ্গার উত্পাদন ও রফতানি করে. পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি ওয়ালমার্ট, কে মার্ট, খল’স জেপি পেনিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন বিখ্যাত কোম্পানিকে গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ সরবরাহ করে. সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২015-16 হিসাব বছরের প্রথম তিন (জুন ’15 -মার্চ ’16) প্রান্তিকে বেঙ্গল ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে. জুন ’15 -মার্চ ’16 সময়ে এর ইপিএম হয়েছে ২ টাকা 3২ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ২8 পয়সা. জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে 56 পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল 4২ পয়সা. ২013 সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল উইন্ডসরের অনুমোদিত মূলধন 100 কোটি ও পরিশোধিত মূলধন 83 কোটি 16 লাখ টাকা. রিজার্ভের পরিমাণ 86 কোটি 90 লাখ টাকা. এর মোট শেয়ারের 3২ দশমিক ২0 শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, 16 দশমিক 66 শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ও 51 দশমিক 54 শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে.

স্টাফ রিপোর্টার. টঙ্গীর কারখানা প্রাঙ্গণে 5 সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে 10 টায় 44 তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড. সভার রেকর্ড ডেটের কারণে রোববার স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে. 31 ডিসেম্বর সমাপ্ত ২015 হিসাব বছরের জন্য ২15 শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশের পর 105 শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করে বাটা সু. তবে জুন ক্লোজিংয়ের বাধ্যবাধকতায় ২3 জুন আহ্বান করা এজিএম স্থগিত করা হয় এবং ঘোষিত 105 শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দ্বিতীয় দফা অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করা হয়. পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে জুন ক্লোজিংয়ের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেয়ায় ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ে ফিরে যায় কোম্পানিটি. মোট 3২0 শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশের পর ২015 সালের জন্য আর কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়নি. আসন্ন এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন, বিতরণকৃত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা উত্থাপন করবে কোম্পানি. ২014 হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২80 শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় চামড়া খাতের বহুজাতিক কোম্পানিটি. তখন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল 51 টাকা ২২ পয়সা. ২015 সালে ইপিএস বেড়ে দাঁড়ায় 60 টাকা 80 পয়সা. এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বাটা সু ২5 টাকা 79 পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২0 টাকা 13 পয়সা. 30 জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২3২ টাকা 3 পয়সা. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বাটা সু শেয়ারের দর দশমিক ২5 শতাংশ কমে দাঁড়ায় 1 হাজার ২২0 টাকা. গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল 1 হাজার 430 টাকা ও সর্বনিম্ন 1 হাজার 148 টাকা. 1985 সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাটা সু কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২0 কোটি ও পরিশোধিত মূলধন 13 কোটি 68 লাখ টাকা ছিল. সর্বশেষ এজিএমে অনুমোদিত নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, রিজার্ভ ২43 কোটি 4২ লাখ টাকা. কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক 70 শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী 13 দশমিক 71, বিদেশী বিনিয়োগকারী 7 দশমিক শূন্য ২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে বাকি 9 দশমিক ২7 শতাংশ শেয়ার.

পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর

ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে ২015-16 অর্থবছর শেষ করেছে বাংলাদেশ. গত 30 জুন শেষ হওয়া গেল অর্থবছরে পণ্যবাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে 6২7 কোটি 40 লাখ ডলার, যা ২014-15 অর্থবছর শেষে ছিল 696 কোটি 50 লাখ ডলার. সে হিসেবে বাণিজ্য ঘাটতি এক বছরের ব্যবধানে 10 শতাংশ কমেছে.বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যের (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ২015 সালের জুলাই থেকে ২016 সালের জুন পর্যন্ত সময় বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে (ইপিজেডসহ) সব মিলিয়ে 3 হাজার 971 কোটি 50 লাখ ডলার ব্যয় করেছে বাংলাদেশ. আর পণ্য রফতানি থেকে (ইপিজেডসহ) আয় হয়েছে 3 হাজার 344 কোটি 10 ​​লাখ ডলার.কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ২014-15 অর্থবছরে আমদানি খাতে ব্যয় হয় 3 হাজার 766 কোটি 6২ লাখ ডলার. আর রফতানি থেকে আয় হয়েছিল 3 হাজার 69 কোটি 70 লাখ ডলার. এতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছিল 696 কোটি 50 লাখ ডলার. ছয় বছর আগে ২009-10 অর্থবছরে যেখানে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ 515 কোটি ২0 লাখ ডলার ছিল, পরের অর্থবছরই তা বেড়ে 993 কোটি 50 লাখ ডলারে দাঁড়ায়. ওই পরিমাণ ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি. তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরে রফতানি আয় (এফওবিভিত্তিক, ইপিজেডসহ) বেড়েছে 9 শতাংশ. আর আমদানি ব্যয় বেড়েছে 5 দশমিক 45 শতাংশ. bron. sokaler khobor

পুঁজিবাজারে গত কয়েকদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে. একইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ. গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয়ই বেড়েছে. এনিয়ে টানা পাঁচ কর্মদিবস বেড়েছে ডিএসইর সূচক. এতে গতকাল ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক 4 হাজার 595 পয়েন্টে উঠে এসেছে. যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ.বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল বাজারে বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলো ঘিরে. এরমধ্যে ব্যাংকের শেয়ারেই বেশি আগ্রহ দেখা গেছে. এজন্য এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে. গতকাল ব্যাংকের শেয়ারের গড় দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক 70 শতাংশ. ব্যাংকিং খাতে তালিকাভুক্ত 30 টি কোম্পানির মধ্যে গতকাল শেয়ারদর বেড়েছে 18 টির. আর কমেছে 5 টির. অবশিষ্ট ব্যাংকের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিল. এছাড়া সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক 70 শতাংশ. বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের গড় দাম বেড়েছে 1 শতাংশ. bron. Ittafaq

ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) 13 কোম্পানির কোন শেয়ার কেনা-বেচা হয়নি. এছাড়া আরও 11 টি কোম্পানির অফিস না থাকারও অভিযোগ রয়েছে. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়.সূত্র মতে, ওটিসিতে (ওভার দ্য কাউন্টার) বর্তমানে 66 টি কোম্পানি আছে. এর মধ্যে 41 টি কোম্পানির কিছু শেয়ার লেনদেন হয়েছে. এর মধ্যে 13 কোম্পানির কোন শেয়ার লেনদেন হয়নি বাজারে আসার পর থেকে. এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে 10 টির শেয়ার ডিমেট হয়েছে.লেনদেন না হওয়া কোম্পানির তালিকায় রয়েছে আজাদী প্রিন্টার্স, বেঙ্গল প্রসেস ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ হোটেলস, বাংলাদেশ লীফ টোব্যাকো কোম্পানি, ডায়নামিক টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ, ঈগল স্টার টেক্সটাইল মিলস, হীল প্লান্টেশন, মডার্ন ইন্ড্রাস্টিজ, ম্যাক পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ, পেট্রো সিনথেটিক প্রডাক্টস, ফিনিক্স লেদার কমপ্লেক্স, কাসেম টেক্সটাইল মিলস ও টিউলিপ ডেয়ারি এ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড.এর মধ্যে আজাদী প্রিন্টার্সের শেয়ার সংখ্যা 63 হাজার 6২২ টি, বেঙ্গল প্রসেস ইন্ডাস্ট্রিজের 8 লাখ, বাংলাদেশ হোটেলের 4 লাখ 50 হাজার, বাংলাদেশ লীফ টোব্যাকোর 8 লাখ 13 হাজার 600 টি, ডায়নামিক টেক্সটাইলের 30 লাখ 55 হাজার 950 টি, ঈগল স্টারের 5২ লাখ 80 হাজার, হিল প্লানটেশনের 1 লাখ 50 হাজার, ম্যাক এন্টারপ্রাইজের ২5 লাখ, মডার্ন ইন্ড্রাস্টিজের 13 লাখ, পেট্রো সিনথেটিকস প্রডাক্টসের 4 লাখ ২0 হাজার, ফনিক্স লেদারের 75 হাজার, কাসেম টেক্সটাইলের 13 লাখ 80 হাজার ও টিউলিপ ডেইরির ২ লাখ 39 হাজার শেয়ার রয়েছে.এছাড়া আরও কিছু কোম্পানির গত পাঁচ বছরে কোন লেনদেন হয়নি. এগুলো হলো. ইমাম সী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বাংলাদেশ প্লান লিমিটেড, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিসিটি মেট্রো কোম্পানি, চিক টেক্স লিমিটেড, জার্মান বাংলা জে. ভি. মেটালেক্স কর্পোরেশন, এম হোসাইন গার্মেন্টস ওয়াশিং এ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড, মডার্ন সিমেন্ট, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, রাঙ্গামাটি ফুড প্রডাক্টস, রাসপিট ইন্স্যুরেন্স, রাসপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট এ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন, সালেহ কার্পেট, থেরাপিউটিকস বাংলাদেশ. এসব কোম্পানিতে আটকে রয়েছে বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকা. এর মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ এবং কোন অফিস না থাকার অভিযোগ রয়েছে.অন্যদিকে ওটিসির মধ্যে অফিস না থাকার অভিযোগ রয়েছে আমান সী ফুড, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক মিটার কোম্পানি, জার্মান বাংলা জে ভি ফুড, চিক টেক্স লিমিটেড, এম হোসাইন গার্মেন্টস ওয়াশিং এ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড, মেটালেক্স কর্পোরেশন, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল, রাঙ্গামাটি ফুড প্রডাক্টস, রাসপিট ডাটা ম্যানেজমেন্ট, রাসপিট ইন্স্যুরেন্স বিডি লিমিটেড এবং সালেহ কার্পেট. তবে এসব কোম্পানির এখনও কাগুজে শেয়ার থাকায় লেনদেন হচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা.উল্লেখ্য, ২009 সালে ডিএসইতে ওটিসি মার্কেট চালু করা হয়. ছোট মূলধনের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির জন্য এ বাজারের জন্ম হলেও নতুন কোন কোম্পানি এ বাজারে আসেনি. বরং মূল মার্কেটে কিছু মন্দ কোম্পানিকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এখানে পাঠানো হয়. একে তো মন্দ কোম্পানি, তার ওপর লেনদেন পদ্ধতির জটিলতা- তাই এ বাজারে কখনই তেমন লেনদেন হচ্ছে না. bron. Jonokontho

শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে. বুধবার দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) মিলে 5২8 কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে. এর মধ্যে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে 503 কোটি টাকা এবং সিএসইতে ২5 কোটি টাকা. এছাড়া উভয় শেয়ারবাজারেই বুধবার মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন বেড়েছে. বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বুধবার 3২3 টি প্রতিষ্ঠানের 13 কোটি 59 লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে. যার মূল্য 503 কোটি 94 লাখ টাকা. এর মধ্যে দাম বেড়েছে 139 টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে 141 টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে 43 টি কোম্পানির শেয়ারের দাম. ডিএসইর ব্রড সূচক আগের দিনের চেয়ে 8 দশমিক 98 পয়েন্ট বেড়ে 4 হাজার 595 পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে. ডিএসই -30 মূল্যসূচক ২ দশমিক ২3 পয়েন্ট কমে 1 হাজার 771 পয়েন্টে নেমে এসেছে. ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক দশমিক 73 পয়েন্ট কমে 1 হাজার 1২২ পয়েন্টে নেমে এসেছে. ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে 3 লাখ ২3 হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে.সিএসই. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার ২53 টি প্রতিষ্ঠানের 91 লাখ 4 হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে. যার মোট মূল্য ২5 কোটি 47 লাখ টাকা. এর মধ্যে দাম বেড়েছে 108 টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে 11২ টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে 33 টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম. bron. Jugantor

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্রাবস্থা থাকলেও মঙ্গলবারে ওষুধ খাতের কোম্পানিগুলোতে চাহিদা বেশি ছিল. বিশেষ করে খাতটির স্বল্প মূলধনী কোম্পানি এক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার টপটেন গেইনার তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে ওষুধ খাতের কোম্পানি. শুধু তাই নয়, দরবৃদ্ধির তালিকায় থাকা 10 টির মধ্যে 4 টি ওষুধ খাতের কোম্পানি. কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এমবি ফার্মা, ফার্মা এইডস, ওয়াটা কেমিক্যাল ও লিবরা ইনফিউশন.ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এমবি ফার্মা 41 টাকা 30 পয়সা বা 8 দশমিক 74 শতাংশ দর বেড়ে দরবৃদ্ধির তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে. শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় 513 টাকা 70 পয়সা দরে. এদিন কোম্পানিটি এক হাজার ২11 বারে 89 হাজার 91২ টি শেয়ার লেনদেন করেছে. ফার্মা এইডস ২4 টাকা ২0 পয়সা বা 8 দশমিক 73 শতাংশ দর বেড়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে. শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় 301 টাকা দরে. এদিন কোম্পানিটি দুই হাজার ২5২ বারে ২ লাখ 49 হাজার 917 টি শেয়ার লেনদেন করেছে. ওয়াটা কেমিক্যালসের দর বেড়েছে 13 টাকা 30 পয়সা বা 8 দশমিক ২3 শতাংশ. আজ শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় 174 টাকা 90 পয়সা দরে. এদিন কোম্পানিটি 798 বারে 96 হাজার 776 টি শেয়ার লেনদেন করে. এছাড়া তালিকায় থাকা লিবরা ইনফিউশনের 54 টাকা 30 পয়সা বা 7 দশমিক 49 শতাংশ দর বেড়েছে. এছাড়া একই খাতের ইবনে সিনার নামের কোম্পানিটির দর বেড়েছে 8 দশমিক 40 টাকা. দিনশেষে কোম্পানিটির সমাপনী মূল্য ছিল ২58 দশমিক 30 টাকা. একইভাবে এসিআই ফর্মুলেশনের দর বেড়েছে 4 দশমিক 50 টাকা. কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দর বেড়েছে ২.69 শতাংশ. খাতটির মোট ২8 টির মধ্যে 15 টির দর বেড়েছে. bron. Jnokontho

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে গতকাল মঙ্গলবার ব্যাপক দরপতন হয়েছে. এ খাতে লেনদেনকৃত 34 টি ইউনিটের মধ্যে 18 টি ইউনিটের দরপতন হয়েছে. আর দর বেড়েছে 8 টির. এছাড়া গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম কমার দিক থেকে শীর্ষে থাকা 10 কোম্পানির মধ্যে 6 টিই ছিল মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট.দরপতনের শীর্ষ দশে উঠে আসা ফান্ডগুলো হলো— ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড এবং ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড. এরমধ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে 7 দশমিক 69 শতাংশ. এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে 7 দশমিক 55 শতাংশ. ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে 6 দশমিক ২5 শতাংশ. আর পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে 6 দশমিক 1২ শতাংশ, ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডের 5 দশমিক 88 শতাংশ এবং ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের 5 দশমিক 66 শতাংশ দর কমেছে. bron. ITTAFAQ

গত পাঁচ বছর ধরে কোনো লভ্যাংশ দিতে পারছে না পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত 9 টি কোম্পানি. এতে কোম্পানিগুলোর শেয়ারে যারা বিনিয়োগ করেছেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন. নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের জবাবদিহিতার আওতায়ও আনা হয়নি কোম্পানিগুলোকে.ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত পাঁচ বছর ধরে লভ্যাংশ দিতে পারেনি এমন কোম্পানিগুলো হচ্ছে— আজিজ পাইপস, দুলামিয়া কটন, জীল বাংলা সুগার মিল, শ্যামপুর সুগার মিল, সমতা লেদার, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক এবং ইমাম বাটন.পুঁজিবাজারের লিস্টিং রেগুলেশন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে বা টানা পাঁচ বছর লভ্যাংশ না দিলে ওই কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা যায়. তবে বিনিয়োগকারীরা বলছেন, কোম্পানিকে তালিকাচ্যুত করা হলে শেয়ার বিনিয়োগকারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে. তাই তাদেরকে তালিকাচ্যুত না করে জবাবদিহিতার আওতায় আনা দরকার.বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ দেয় না এ কোম্পানিগুলোকে শুধু ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পাঠিয়ে দিলে কিংবা ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) দিয়ে দিলে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা হয় না. কোম্পানিগুলোকে তালিকাচ্যুত করলেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা হয় না. তাই যে কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে উত্পাদনে আসতে পারছে না কিংবা মুনাফা করতে পারছে না তাদের মালিকানা পরিবর্তন করা যেতে পারে. যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিদের কাছে সেসব কোম্পানির মালিকানা দিয়ে পর্ষদ পুনর্গঠনের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে ফের উত্পাদনমুখী ও মুনাফামুখী করা যেতে পারে. আর সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কীভাবে সেগুলোকে লাভজনক করা যায় তা বিবেচনা করা দরকার. এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষাকারী হিসেবে বিএসইসিকেই দায়িত্ব নিয়ে এ কাজ করতে হবে. স্টক এক্সচেঞ্জকে সঙ্গে নিয়ে এ কোম্পানিগুলোকে উত্পাদনশীল করতে পারলে বাজারের জন্য তা বড় ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ বলেন, কোনো কোম্পানি মুনাফা করতে না পারলে কিংবা তাদের উত্পাদন বন্ধ হয়ে গেলে বিএসইসি বা স্টক এক্সচেঞ্জ তাদেরকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করে দেয়. কখনও কখনও কোম্পানিগুলোকে ওটিসিতে পাঠিয়ে দেয়. এতে কোম্পানির কোনো সমস্যা হয় না. বরং এ কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডারদের সমস্যা হয়. অথচ কোম্পানিগুলোর পরিচালকরা ঠিকই বছরের পর বছর ধরে বেতন-ভাতা নিয়ে যান. এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোম্পানিগুলোকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে ড. আবু আহমেদ বলেন, কোম্পানিগুলোর পর্ষদ পুনর্গঠন করা যেতে পারে.বিএসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো কোম্পানি মুনাফা করতে না পারলে আইনগতভাবে তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার সুযোগ বিএসইসির নেই. বিষয়টি তুলে ধরা হলে ড. আবু আহমেদ বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিএসইসি আইনগত ক্ষমতা বাড়াতে পারে. প্রয়োজনে তারা আদালতেও যেতে পারে.ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, আজিজ পাইপস তালিকাভুক্ত হয়েছে 1986 সালে. কোম্পানিটি 1996 সালের পর শেয়ারহোল্ডারদেরকে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি.দুলামিয়া কটন তালিকাভুক্ত হয়েছে 1989 সালে. কোম্পানিটি কখনও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি. জীল বাংলা সুগার মিল তালিকাভুক্ত হয়েছে 1988 সালে. কোম্পানিটিও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি. শ্যামপুর সুগার মিল তালিকাভুক্ত হয়েছে 1996 সালে. তারাও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি.সমতা লেদার তালিকাভুক্ত হয়েছে 1998 সালে. এ কোম্পানিটিও তালিকাভুক্তির পর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি. মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ তালিকাভুক্ত হয়েছে ২001 সালে. তালিকাভুক্তির পর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এ কোম্পানিটিও. আইসিবি ইসলামি ব্যাংক তালিকাভুক্ত হয়েছে 1990 সালে. এ কোম্পানিটিও তালিকাভুক্তির পর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি .২001 সালে তালিকাভুক্ত হয়েছে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক. কোনো লভ্যাংশ দেয়নি এ কোম্পানিটিও. 1996 সালে তালিকাভুক্ত হয়েছে ইমাম বাটন. ২010 এর পর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি.মাল্টিমোড গ্রুপের (দুলা মিয়া কটন এ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত) চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দুলা মিয়া কটনের যন্ত্রপাতি অনেক পুরোনো. তাই যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে উত্পাদন কার্যক্রমকে গতিশীল করা প্রয়োজন. কিন্তু শিল্প ব্যাংকের সাথে ঋণ সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণে তা করা যাচ্ছে না. এজন্য দুলা মিয়া কটন মিলে মুনাফা করা যাচ্ছে না. ফলে লভ্যাংশও দেয়া সম্ভব হচ্ছে না. bron. ITTAFAQ

পুঁজিবাজারে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় লেনদেন ও সূচক বেড়েছে. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে 546 কোটি টাকা. গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে 4২5 কোটি 47 লাখ টাকা. আর মূল্যসূচক বেড়েছে 9 পয়েন্ট. লেনদেন বেড়েছে প্রায় 90 কোটি টাকা. আগের দিন লেনদেন হয়েছিল 335 কোটি 9২ লাখ টাকা. আর মূল্যসূচক বেড়েছিল প্রায় 3 পয়েন্ট. সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতায় লেনদেন শেষ হয়েছে. লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার ধারা শেষেও বজায় রয়েছে. শুরুর দিকে সূচকে সামান্য উত্থান হলেও শেষদিকে উত্থানের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে. দিনশেষে সূচক দাঁড়িয়েছে চার হাজার 586 পয়েন্ট.ডিএস -30 ইনডেক্স ২ পয়েন্ট কমে এক হাজার 773 পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ ইনডেক্স 1.২7 পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার 1২3 পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে. লেনদেনে অংশ নেওয়া 3২3 টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে 147 টি, কমেছে 1২8 টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে 48 টি কম্পানির শেয়ারের দাম.লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বিএসআরএম লিমিটেড. লেনদেন হয়েছে 13 কোটি ২২ লাখ টাকা. আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের লেনদেন হয়েছে 11 কোটি 44 লাখ টাকা. তৃতীয় স্থানে অ্যাপেক্স ট্যানারির লেনদেন হয় 10 কোটি ২5 লাখ টাকা. অন্য শীর্ষ কম্পানিগুলো হচ্ছে ন্যাশনাল পলিমার, এমজেএল বাংলাদেশ, বেক্সিমকো ফার্মা, শাহজিবাজার পাওয়ার, এসিআই ফর্মুলেশন, ইবনে সিনা ও এনভয় টেক্সটাইল.আরেক বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২1 কোটি 10 ​​লাখ টাকা. আর মূল্যসূচক বেড়েছে ২4 পয়েন্ট. আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২0 কোটি 88 লাখ টাকা. আর মূল্যসূচক কমেছিল ২ পয়েন্ট. লেনদেনে অংশ নেওয়া ২41 টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে 108 টি, কমেছে 107 টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২6 টি কম্পানির শেয়ারের দাম. bron. Kalar kontho

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ফরচুন সুজ লিমিটেডের আইপিও আবেদন আজ মঙ্গলবার শুরু হবে. চলবে ২8 আগস্ট, রবিবার পর্যন্ত. স্থানীয় এবং অনিবাসী-উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীকে এ সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে. কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে. এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) 579 তম কমিশন সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়. আইপিওর মাধ্যমে ফরচুন সুজ লিমিটেড পুঁজিবাজারে ২ কোটি ২0 লাখ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে. কোম্পানিটিকে অভিহিত মূল্যে তথা 10 টাকা দরে ​​শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন. কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড. bron. Janokontho

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক মন্দায় বড় রকম প্রভাব ফেলেছে ব্যাংকিং খাতে. এ খাতে তালিকাভুক্ত 30 টি কোম্পানির সাতটির শেয়ার এখন লেনদেন হচ্ছে অভিহিত মূল্যের নিচে.সম্প্রতি প্রকাশিত কোম্পানিগুলোর অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ভালো মুনাফা করার পরও শেয়ারদরে কোনো হেরফের হয়নি. এমনকি গত বছরও মূল্যস্তর বিবেচনায় ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে এসব কোম্পানি.অভিহিত মূল্যের নিচে লেনদেন হওয়া এ খাতের কোম্পানিগুলো হচ্ছে এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড. এদের মধ্যে একমাত্র আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ছাড়া অন্যগুলো চলতি বছরের অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ভালো মুনাফা করেছে. আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ছাড়া অন্য কোম্পানিগুলো সে হিসেবে যথারীতি আগের বছরের (২015) লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে. কিন্তু বাজারে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি.এক্সিম ব্যাংক চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় করেছে 46 পয়সা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২3 পয়সা. মুনাফা দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানিটি গত অর্থবছরে 1২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে; কিন্তু এ মুহূর্তে এ কোম্পানির শেয়ার আট টাকার আশপাশে লেনদেন হচ্ছে.তালিকায় থাকা দ্বিতীয় কোম্পানি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক. ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী এ ব্যাংকটি গত ছয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে শেয়ারপ্রতি আয় করেছে 1 দশমিক 04 টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল 44 পয়সা. গত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের 10 শতাংশ লভ্যাংশ দেয়. তা সত্ত্বে¡ও বাজারে কোম্পানিটির শেয়ার বেচাকেনা হচ্ছে 9 টাকার নিচে.মূলধনের দিক থেকে বেশ এগিয়ে থাকা ব্যাংকিং খাতের অন্য কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক. ২010 সালের পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের আগে কোম্পানিটির পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ নিয়ে বেশ সমস্যার মধ্যে পড়ে. মাত্রাতিরিক্ত বিনিয়োগের অভিযোগ ছিল ব্যাংকটির বিরুদ্ধে. সম্প্রতি লোকসান কাটিয়ে ব্যাংকটির মুনাফার প্রবৃদ্ধি বেশ ঈর্ষণীয় হলেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ধরে রাখতে পারছে না এ ব্যাংক. চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে 1 দশমিক ২1 টাকা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল 66 পয়সা. গত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের 15 শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করা এ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হচ্ছে 9 টাকায়.একই প্রজন্মের আরেকটি ব্যাংক এনসিসি. ডিএসই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এ বছরের ছয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি অংশ প্রকাশ করা হয়েছে 55 পয়সা যা আগের বছরেও একই ছিল. কোম্পানিটি গত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের 1২ দশমিক 75 শতাংশ লভ্যাংশ দেয়. কোম্পানিটির শেয়ার বর্তমান বাজারে 9 টাকার আশপাশে বেচাকেনা হচ্ছে.তৃতীয় প্রজন্মের একটি ব্যাংক প্রিমিয়ার. অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কিছুটা কমেছে. গত ছয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে 40 পয়সা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল 6২ পয়সা. তবে কোম্পানিটি গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের 10 শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করে. বর্তমানে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার বেচাকেনা হচ্ছে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরে. 6 টাকা থেকে 7 টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে কোম্পানিটির শেয়ারদর.একই প্রজন্মের আরেকটি ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অবস্থাও ব্যতিক্রম নয়. প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় 40 পয়সা যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২8 পয়সা. গত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের 15 শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও শেয়ারদরে তার কোনো প্রভাব পড়েনি. এ মুহূর্তে কোম্পানিটির শেয়ারদর 8 দশমিক 50 টাকা.পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ২010 সালের পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের পর বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের শেয়ারের প্রতি যে অনীহা প্রদর্শন শুরু করে এখনো তা অব্যাহত রয়েছে. তাছাড়া বড় মূলধনী কোম্পানির হওয়ায় বাজারে প্রচুর শেয়ার থাকায় এ খাতে সহজে মুনাফা অর্জন সম্ভব হয় না. তাই ভালো মুনাফা আয় করার পরও বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সাড়া পাচ্ছে না এ খাত. তবে মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে বাজার স্বাভাবিক গতি ফিরে পেলে এ শেয়ারগুলোই একসময় বিনিয়োগকারীদের ভালো মুনাফা দিতে পারে.এ দিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ফরচুন সুজ লিমিটেডের আইপিও আবেদন আজ শুরু হবে. চলবে ২8 আগস্ট, রোববার পর্যন্ত. স্থানীয় এবং অনিবাসী-উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীকে এ সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে. কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে. এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) 579 তম কমিশন সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়. আইপিওর মাধ্যমে ফরচুন সুজ লিমিটেড পুঁজিবাজারে দুই কোটি ২0 লাখ শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে. কোম্পানিটিকে অভিহিত মূল্যে তথা 10 টাকা দরে ​​শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন. কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড. bron. somokal

মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ হিসেবে রিইনভেস্টমেন্ট বন্ধ করতে আইনের সংশোধন খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে গত বছরের ডিসেম্বরে. একই দিনে আইপিও আইনেও (পাবলিক ইস্যু রুলস) সংশোধন খসড়া অনুমোদনের পর জনমত যাচাই শেষে তা চূড়ান্ত ও কার্যকর করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি). এর মধ্যে গত বছরের 31 ডিসেম্বর আইপিও আইন সংশোধন হয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে. অথচ আট মাস পরও আলোর মুখ দেখেনি মিউচুয়াল ফান্ডের আইন সংশোধন. এর মধ্যে কিছু মিউচুয়াল ফান্ড রিইনভেস্টমেন্ট ঘোষণাও করে ফেলেছে.নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানান, মিউচুয়াল ফান্ডের অবসায়ন নিয়ে উচ্চ আদালতে কয়েকটি রিট মামলা দায়েরের পর আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল. এর কারণ রিটের বিষয়ের সঙ্গে সংশোধন ইস্যুর কিছুটা সংশ্লিষ্টতা ছিল. এসব বিবেচনায় সংশোধন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয় বলে জানান তিনি. তবে ওই কর্মকর্তা জানান, মিউচুয়াল ফান্ডসংক্রান্ত মামলাটি ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে. এর পরও আইনটির সংশোধন প্রক্রিয়া ঝুলে থাকার বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি.শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড ব্যবস্থাপনাকারী একাধিক সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি চায় না, আইনের প্রস্তাবিত সংশোধন চূড়ান্ত হোক. তারা প্রস্তাবিত সংশোধনে ব্যাপক রদবদল করার চেষ্টা চালাচ্ছে. যোগাযোগ করা হলে সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানিগুলোর এ বিষয়ে মন্তব্য পাওয়া যায়নি. কমিশনও এ বিষয়ে মুখ খুলছে না. গত বছরের 1২ ডিসেম্বর বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার প্রস্তাবিত সংশোধনের ধারণা প্রকাশ করে. সেখানে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোতে সংশোধন আনার কথা বলা হয়.প্রস্তাবিত সংশোধন খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন মিউচুয়াল ফান্ড থেকে বিনিয়োগকারীদের কখন লভ্যাংশ হিসেবে রিইনভেস্টমেন্ট বা পুনর্বিনিয়োগ দিতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে. সংশোধনী খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ওই ফান্ডের বাজারদরের তুলনায় কম হলে সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি লভ্যাংশ আকারে রিইনভেস্টমেন্টের প্রস্তাব করতে পারবে না. তা ছাড়া লভ্যাংশ আকারে রিইনভেস্টমেন্ট অনুমোদন হলেও বিনিয়োগকারীকে নগদ বা রিইনভেস্টমেন্ট, এই উভয় পদ্ধতির মধ্যে যে কোন একটি বেছে নেয়ার সুযোগ দিতে হবে.গত কয়েক বছর একাধিক সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি রিইনভেস্টমেন্ট আকারে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিচ্ছে. এতে দেখা যায়, 4-5 টাকা বাজারদরের ফান্ড বিনিয়োগকারীদের বাধ্যতামূলকভাবে 11 টাকা দরে ​​কিনতে হয়েছে. এতে তাদের অন্তত 300 কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে. জেনেবুঝেই সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি এমন লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছিল. ফান্ডগুলো ট্রাস্টি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা না করে ওই লভ্যাংশ অনুমোদন করে. এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার প্রেক্ষাপটে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ সংক্রান্ত আইনের ধারায় সংশোধন আনার উদ্যোগ নেয়.নতুন সংশোধন খসড়ায় মেয়াদী মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বমোট মেয়াদ সর্বোচ্চ 10 বছর রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে. বর্তমানে এ নীতি কমিশনের একটি নির্দেশনা অনুসারে কার্যকর রয়েছে. খসড়ায় বলা হয়েছে, চাইলে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডকে বেমেয়াদিতে রূপান্তরের সুযোগ বহাল থাকবে. এ ছাড়া মেয়াদী ফান্ডের ন্যায় বেমেয়াদী ফান্ড স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে. এক্ষেত্রে এ ধরনের ফান্ডের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের ব্যবধান 3 থেকে 5 শতাংশ সীমাবদ্ধ রাখা নিশ্চিত করা হবে. বিনিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিমাসে সব ধরনের মিউচুয়াল ফান্ডের মাসিক ভিত্তিতে পোর্টফোলিও প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হবে. bron. Janokontho

গত অর্থবছরে (২015-16) 31 হাজার 300 কোটি টাকার রাজস্ব আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ কর্তৃপক্ষ, যা সংশোধিত লক্ষ্যের চেয়ে 1 হাজার কোটি টাকার বেশি. এর মধ্যে ২0 শতাংশই পরিশোধ করেছে শীর্ষ 35 আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান. কাস্টম হাউজের হালনাগাদ পরিসংখ্যান সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে.কাস্টম কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুল্কায়ন কার্যক্রম সহজ করা, খালাস-উত্তর নিরীক্ষার মাধ্যমে ফাঁকিকৃত অর্থ আদায় ও বকেয়া আদায়ে জোর দেয়ায় রাজস্ব আয় বেড়েছে.কাস্টম হাউজের পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরের শুরুতে প্রধান রাজস্ব জোগানদাতা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে 33 হাজার 1২1 কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল. তবে পরে তা সংশোধন করে 30 হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়. অর্থবছরের শেষে দেখা যায়, 6 হাজার 971 টি প্রতিষ্ঠান 31 হাজার 300 কোটি টাকার রাজস্ব পরিশোধ করেছে. ফার্নেস অয়েল, পিস্টন ইঞ্জিন, রেফ্রিজারেটর, মোটর কার, রেলওয়ে ব্যবহূত লোহা ও ইস্পাত, পরিশোধিত সয়াবিন, অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে. এর মধ্যে শীর্ষ 35 প্রতিষ্ঠান থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে 6 হাজার ২91 কোটি টাকা, যা মোট আয়ের প্রায় ২0 শতাংশ.এতে দেখা গেছে, গত অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টমসে সবচেয়ে বেশি 717 কোটি ২5 লাখ টাকার রাজস্ব পরিশোধ করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ. দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়েছে উত্তরা মোটরস থেকে, 494 কোটি 77 লাখ টাকা. তৃতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব পরিশোধ করেছে টেলিনরের গ্রামীণফোন, 355 কোটি 59 লাখ টাকা.এছাড়া মেনুকা মোটরস লিমিটেড ২99 কোটি 78 লাখ টাকা, মেঘনা গ্রুপের ইউনাইটেড এডিবল অয়েল ২60 কোটি ২7 লাখ ও তানভীর অয়েল লিমিটেড ২70 কোটি 48 লাখ টাকা, সিটি গ্রুপের ফারজানা অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড 146 কোটি 45 লাখ ও ভট অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড 104 কোটি 83 লাখ, কেএসআরএম ২২6 কোটি ২ লাখ, আজিয়াটা লিমিটেডের রবি ২২২ কোটি 66 লাখ, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন ২19 কোটি 7 লাখ, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড ২14 কোটি 54 লাখ, টিকে গ্রুপের শবনম ভেজিটেবল অয়েল ২14 কোটি ২0 লাখ, ইউনিলিভার বাংলাদেশ 188 কোটি 1২ লাখ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল 184 কোটি ২২ লাখ, সিঙ্গার বাংলাদেশ 179 কোটি 48 লাখ, আরএফএল প্লাস্টিক 16২ কোটি 6২ লাখ, এমআই সিমেন্ট কারখানা 144 কোটি 6২ লাখ, প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস 133 কোটি 73 লাখ, বিএসআরএম 1২1 কোটি 67 লাখ, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড 1২0 কোটি 84 লাখ, ওয়ালটন 119 কোটি 59 লাখ, এমজেএল বাংলাদেশ 119 কোটি 3২ লাখ, সেভেন রিং বাংলাদেশ সিমেন্ট কোম্পানি 103 কোটি 18 লাখ, নাভানা 83 কেটি 47 লাখ, আকিজ সিমেন্ট 79 কোটি 66 লাখ , এইচএনএস অটোমোবাইলস 79 কোটি 58 ​​লাখ এবং পিএইচপি গ্রুপ 66 কোটি 60 লাখ টাকার রাজস্ব পরিশোধ করেছে.চট্টগ্রাম কাস্টমস আরো জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মেঘনা পেট্রোলিয়াম অয়েল, যমুনা পেট্রোলিয়াম অয়েল, পদ্মা পেট্রোলিয়াম অয়েল ও ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে 4 হাজার ২10 কোটি টাকা.রাজস্ব আয় প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার এহতেশামুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, রাজস্ব আয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ভূমিকা রেখে আসছে. ফলে গত অর্থবছরে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় 1 হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে. তিনি জানান, কাস্টম হাউজের পক্ষ থেকে শুল্কায়ন কার্যক্রম সহজ করার উদ্যোগ নেয়ায় আয় বেড়েছে. এছাড়া খালাস-উত্তর নিরীক্ষার মাধ্যমে ফাঁকিকৃত অর্থ আদায় ও বকেয়া রাজস্ব আদায়ে জোর দেয়ায় আয় বাড়ছে. bron. Bonik Barta

আন্তর্জাতিক বাজারে দর পড়ে যাওয়ার দোহাই দিয়ে বেঁকে বসেছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা. আগেই চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া এমন নির্দেশনা তাদের পক্ষে এবার প্রতিপালন সম্ভব হবে না. তারা জানিয়েছেন, চামড়ার বিশ্ব পরিস্থিতি এ বছর এতটাই অস্থির, কোন স্তরে মূল্য নির্ধারণ করবেন তারা সেই মানদণ্ডই ঠিক করতে পারছেন না. ফলে এ পরিস্থিতিতে দাম নির্ধারণ করা হবে নিজেদের ব্যবসায় ঝুঁকি ডেকে আনার শামিল. সম্ভাব্য এ ঝুঁকি এড়াতে এবার চামড়া-সংশ্লিষ্ট তিনটি সংগঠনের নেতারা দাম নির্ধারণের পরিবর্তে প্রচলিত বাজারমূল্যে চামড়া কেনাবেচার ওপরই বেশি জোর দিচ্ছেন. এ ক্ষেত্রে যার যার কেনা দর অনুযায়ী বিক্রি-মূল্য চামড়া ব্যবসায়ীদের ওপরই ছেড়ে দিতে চান.সূত্রমতে, গত শনিবার রাতে চামড়া-সংশ্লিষ্ট সংগঠনের অন্যতম উপখাত বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস ফুটওয়্যার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলজিএফইএ) সদস্যরা নিজেদের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান . অপর দুই সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) এবং বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সদস্যরাও ইতিমধ্যে এ বার্তা পেয়ে গেছেন. তাছাড়া চামড়া-সংশ্লিষ্টদের অনেকে একসঙ্গে তিনটি সংগঠনেরই সদস্য হিসেবে কাজ করছেন. ফলে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোনো সিদ্ধান্ত তারা একই প্লাটফর্মে থেকে অনুসরণ করেন.এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা শিগগিরই চামড়া-সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের সঙ্গে বসব. বৈঠকে আমরাও তাদের কিছু নির্দেশনা দেব, চামড়া-সংশ্লিষ্টদেরও বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের কথা শুনব. এরপর একটি সিদ্ধান্ত হবে.’ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ফিনিশিড লেদার, লেদার গুডস ফুটওয়্যার অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন যুগান্তরকে বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশে আগাম মূল্য নির্ধারণের নজির নেই. কিন্তু আমাদের দেশে সেটি হচ্ছে, কারণ কোরবানির সময় অনেক অনভিজ্ঞরাও এ ব্যবসায় নেমে পড়েন. কিন্তু মনে রাখা দরকার এটা একটা ব্যবসা. কারও অনভিজ্ঞতার দায় আমরা নিতে পারি না. তাছাড়া চামড়ার আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এতটাই অস্থিরতা চলছে, কোন স্তরে মূল্য নির্ধারণ করব, নির্ধারিত দামে ব্যবসার সুরক্ষা কতটা হবে- সেসব বিষয় এখন আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হচ্ছে.’জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার সুষ্ঠু সংগ্রহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বস্তরে যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতসহ যে কোনো নৈরাজ্য রোধে আগেই প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম নির্ধারণ করতে হবে- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে. মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া ওই নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে দাবি করা হয়, কোরবানিতে সংগৃহীত পশুর চামড়ার মাঠপর্যায়ের কেনাবেচায় মূল্য নির্ধারণের আগাম ঘোষণা দিতে হবে. লেনদেন করে ক্রেতা-বিক্রেতা কোনো পক্ষই যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে কারণে আগে থেকেই নির্ধারণ করতে হবে প্রতি বর্গফুট চামড়ার মূল্যস্তর. সে ক্ষেত্রে গরু, মহিষ, ছাগল কিংবা ভেড়ার চামড়ার দাম ভিন্ন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা যাবে. তবে দাম নির্ধারণের এই প্রক্রিয়াটি হতে হবে যৌক্তিক এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে. নির্ধারিত দামের সঙ্গে চামড়া-সংশ্লিষ্ট সব কটি সংগঠনকে একমত হতে হবে. কোরবানি শুরুর দিন কয়েক আগেই সেটি জাতীয়ভাবে ঘোষণা দিতে হবে.জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে চামড়ার চাহিদার 48 শতাংশ সংগ্রহ হয় কোরবানির ঈদে, 10 শতাংশ রোজার ঈদে এবং শবেবরাতে ২ শতাংশ করে পাওয়া যায়. বাকিটা আসে সারা বছরের জবাই করা পশু থেকে. আর চামড়া-সংশ্লিষ্ট তিন সংগঠনের মতে, সারা বছর যত চামড়া সংগৃহীত হয়, তার 60 ভাগ আসে ঈদুল আজহার সময় কোরবানি করা পশু থেকে. নাম প্রকাশ না করার শর্তে অধিদফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা এখনও হিসাব-নিকাশ করছি. তবে প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী এ বছর কোরবানির ঈদে জবাই হওয়া পশু থেকে 65 থেকে 70 লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ হতে পারে. যার মধ্যে 40 লাখ গরু ও 30 লাখ থাকবে খাসি-বকরির চামড়া.’ এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব মো. রবিউল আলম যুগান্তরকে বলেন, ‘দেশীয় উৎস্য থেকে বিপুল পরিমাণ চামড়া আসবে, এটি আমাদের জন্য একদিকে যেমন আনন্দের খবর অন্যদিকে সবার জন্য দুঃসংবাদ হচ্ছে- বেশিরভাগ চামড়ার ন্যায্য দাম পাবেন না কোরবানিদাতা কিংবা চামড়া ব্যবসায়ীরা. চামড়া-সংশ্লিষ্ট বড় তিনটি সংগঠনের স্বেচ্ছাচারিতা আর অতি মুনাফার কারণে প্রতিবছর কোরবানিতেই চামড়া নিয়ে হইচই শুরু হয়. যা কারও জন্যই কাম্য নয়. দেশের জন্যও শুভ নয়. সরকারের উচিত এদের স্বেচ্ছাচারিতার লাগাম টেনে ধরা. সেটি কোরবানি শুরু হওয়ার আগেই ধরতে হবে.’ bron. Jugantor

Laatste DSE Nieuws

Ms. Sultana Kashem, een van de sponsors van de Vennootschap, is verder gemeld dat ze haar aankoop van 20,00,000 aandelen van de vennootschap heeft afgerond tegen de geldende marktprijs door de Stock Exchange zoals eerder aangekondigd.

Hazrat Shahjalal (RA) Industrial City Ltd één van de Corporate Bestuur van de Vennootschap, is verder gemeld dat zij de verkoop van de gehele organisatie van 3,25,47,335 aandelen van de Vennootschap heeft voltooid tegen de geldende marktprijs door de Stock Exchange, zoals eerder aangekondigd .

Intrekking van de gevolmachtigde: Commerce Bank Securities and Investment Ltd. DSE TREC No. 180, heeft ingetrokken een van de Erkende vertegenwoordigers, Mr. Md Mohd Siddikur, met onmiddellijke ingang..

Today’s (2016/08/18) Totaal Trades: 130.849; Volume: 128.468.928 en Omzet: Tk. 5,119.04 miljoen.

Welkom bij StockBangladesh.com

Onze missie is eenvoudig – om u een betere belegger te maken, zodat u gemakkelijk kunt investeren in Bangladesh beurs. Onze Stock Bangladesh gereedschap kunt u het beste op zoek financiële grafieken van het web te creëren voor technische analyse. Onze Scan Engine Wil je Bangladesh marktaandeel’s best investeren kansen.

In de wereld van vandaag, als je een beroep doen op fundamentele analyse, makelaars adviseren, koersinformatie, krantenartikelen of zakelijke kanalen voor uw investeren of handelsbeslissingen, bent u vragen om een ​​pijnlijke ervaring in de markten.

Of u nu een eerste keer investeerder, een doorgewinterde pro, een "in en uit" daghandelaar of een lange termijn belegger in Dhaka Stock Exchange, zal StockBangladesh.com u te voorzien van de nodige informatie die u nodig hebt voor maximale winst en succes in de huidige dynamische markets.Initially we bedekken Dhaka marktaandeel.

Ons doel is om te helpen handelaren en investeerders van Bangladesh marktaandeel bovengemiddeld rendement op de markten te bereiken door hen te voorzien van winstgevende trading signalen en tegelijkertijd de bescherming van hun commerciële hoofdstad van grote geldopnamen met onze beginselen van goed beheer van geld.

Het wordt gebruikt om effecten te analyseren en investeringsbeslissingen methoden vallen in twee zeer brede categorieën: fundamentele analyse en technische analyse. Fundamentele analyse omvat een analyse van de kenmerken van een bedrijf om zijn waarde te schatten. Technische analyse neemt een compleet andere aanpak; het maakt niet uit een beetje over de "waarde" van een bedrijf of een commodity. Technici (soms chartists) zijn in de prijsontwikkeling in de markt alleen geïnteresseerd.

Ondanks alle luxe en exotische instrumenten die zij in dienst heeft, technische analyse eigenlijk alleen maar bestudeert vraag en aanbod op een markt in een poging om te bepalen welke richting of trend, zal blijven in de toekomst. Met andere woorden, technische analyse probeert de emoties in de markt te begrijpen door bestudering van de markt zelf, in tegenstelling tot de componenten. Als u de voordelen en beperkingen van technische analyse te begrijpen, kan het u een nieuwe set van tools of vaardigheden die je in staat stellen om een ​​betere trader of belegger te geven.

Hotline:

Bron: www.stockbangladesh.com

Geef een reactie

Het e-mailadres wordt niet gepubliceerd. Verplichte velden zijn gemarkeerd met *

tien + 1 =